কাজী মোতাহার হোসেনের তিনি ছিলেন একজন পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন

কাজী মোতাহার হোসেনের পৈতৃক বাড়ি ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। তবে তার জন্ম কুষ্টিয়া (তখনকার নদীয়া) জেলার কুমারখালি থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামে তাঁর মামাবাড়িতে ১৮৯৭ সালের ৩০ জুলাই। তাঁর পিতা কাজী গওহরউদ্দীন আহমদ ছিলেন সেটেলমেন্টের আমিন। মায়ের নাম তাসিরুন্নেসা। শৈশব কাটিয়েছেন ফরিদপুরের বাগমারায়।

১৯২১ সালে এম. এ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন সময়ে কলকাতার তালতলা নিবাসী মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমানের কন্যা সাজেদা খাতুনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাঁদের সংসারে চার পুত্র ও সাত কন্যা ছিল। তন্মধ্যে – সনজীদা খাতুন, ফাহমিদা খাতুন, মাহমুদা খাতুন, কাজী আনোয়ার হোসেন, কাজী মাহবুব হোসেন প্রমুখ রয়েছেন।

আমাদের সাথে থাকবেন, আমাদের উদ্দেশ্য রাজবাড়ী জেলার সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য তুলে ধরা।

মৌলভি তমিজউদ্দিন খান একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ

মৌলভি তমিজউদ্দিন খান বা এম টি. খান (১৮৮৯ – ১৯ আগস্ট ১৯৬৩) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের বহুল পরিচিত একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ। অবিভক্ত বাংলায় তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান গণপরিষদ এবং ১৯৬২ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার ছিলেন। ১৯৪৯ সালে তিনি মূলনীতি কমিটির সদস্য ছিলেন।

জাতীয় পরিষদের স্পিকার কাজের মেয়াদ ১১ জুন ১৯৬২–১৯ আগস্ট ১৯৬৩। ডেপুটি মুহাম্মদ আফজাল চিমা পূর্বসূরী আবদুল ওয়াহাব খান উত্তরসূরী ফজলুল কাদের চৌধুরী কাজের মেয়াদ ১১সেপ্টেম্বর ১৯৪৮–১২ আগস্ট ১৯৫৫ ডেপুটি
এম. এইচ. গাজদার পূর্বসূরী মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ উত্তরসূরী আবদুল ওয়াহাব খান ব্যক্তিগত বিবরণ জন্ম ১৮৮৯ ফরিদপুর (রাজবাড়ি), বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত মৃত্যু ১৯ আগস্ট ১৯৬৩ (৭৩ বছর) ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান, পাকিস্তান রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগ (১৯১৫-১৯৬৩) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (১৯২১–১৯২৬) প্রাক্তন শিক্ষার্থী প্রেসিডেন্সি কলেজ সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মুহাম্মদ ১৯৫৪ সালে গণপরিষদ বাতিল করার পর তমিজউদ্দিন খান পদক্ষেপ নেন। তিনি আদালতে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী মনজুরে আলমের মাধ্যমে ১৯৫৪ সালের ৭ নভেম্বর সকালে মামলা করেন।[৩] মামলায় তিনি জয়ী হলেও আপিলের পর ফেডারেল আদালত গভর্নর জেনারেলের আদেশ বহাল রাখে।